Skip to main content

গিট - এর চৌদ্দ গোষ্ঠী, পর্ব - ০২

 গিট এর এই পর্বে আমরা আলোচনা করব - git installation, git init, git add, git status, git commit, git show, git diff. git ব্যবহার করার জন্য আমরা এই লিঙ্কে গিয়ে লিনাক্স চালিত অপারেটিং সিস্টেম অথবা উইনডোসের জন্য গিট এ্যাপস ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নেব। এখন একটা ফোল্ডার তৈরি করি , যার নাম দেব GitOperations । এখন এই ফোল্ডারের মধ্যে গিট ইনিসিলাইজ করতে হবে। এই জন্য আমরা টারমিনাল বা CMD খুলে গিট কমান্ড লিখব- 

srinath@Linux-Lover:~/Documents/GitOperations$ git init
Initialized empty Git repository in /home/srinath/Documents/GitOperations/.git/
srinath@Linux-Lover:~/Documents/GitOperations$ ls -all
total 12
drwxrwxr-x 3 srinath srinath 4096 এপ্রিল    29 23:45 .
drwxr-xr-x 4 srinath srinath 4096 এপ্রিল    29 23:45 ..
drwxrwxr-x 7 srinath srinath 4096 এপ্রিল    29 23:45 .git

এখানে GitOperations ফোল্ডারে git init কমান্ড লিখে এন্টার দেওয়ার পর Initialized empty Git repository in /home/srinath/Documents/GitOperations/.git/ এই মেসেজটা গিট দেখাল। তার মানে GitOperations ফোল্ডারটা এখন ভার্সন কন্ট্রোলিং এর জন্য প্রস্তুত। আর ls -all এই কমান্ডটি ফোল্ডারে কি কি ফাইল আছে তা দেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

গিট - এর চৌদ্দ গোষ্ঠী, পর্ব - ০১

গিট কি এবং কেন? সহজ ভাষায় বলতে গেলে, গিট হল একটা ভার্সন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম। Linus Torvalds, Junio C Hamano - এই দুইজন ভদ্রলোক হলেন গিটের স্রষ্টা। গিট প্রথমে লিনাক্সের জন্য তৈরি হলেও এখন প্রায় সব গুলো অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার যোগ্য।  এখন প্রশ্ন হল - গিট কেন ব্যবহার করব? মনে করুন, আপনি একটি প্রোজেক্টে কিছুদিন যাবত কাজ করলেন। এর মধ্যে অনেক এডিট-ডিলিট করা হল। এখন আপনি চাচ্ছেন একটা নির্দিষ্ট তারিখেড় কাজে ফিরে যেতে। অর্থাৎ কোন একটা নির্দিষ্ট তারিখে প্রোজেক্টা যেমন ছিল - ঐ অবস্থায় আপনার ফিরে যাওয়া দরকার। কিন্তু আপনি আলাদা করে প্রতিদিনের কাজের ব্যাকআপও রাখেন নাই। এই অবস্থায় গিট আপনাকে সাহায্য করবে। ধরুন ভূল করে কোন ফাইল ডিলিট করে ফেলেছেন- এখন ঐ ফাইল আগের অবস্থায় ফিরে পেতে চাই আপনার- এই কাজটিও গিট আপনাকে করে দেবে। মনে করুন, আপনার প্রোজেক্টে অনেক গুলো ডেভেলপার/ইঞ্জিনিয়ার কাজ করেন ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে। এখন আপনার যদি সবার কাজ গুলো এক জায়গায় নিয়ে আসতে হয় বা সবার একসাথে আপডেটেট থাকতে হয় অথবা কে কি কাজ করেছে সেইটার হিসাব রাখতে হয় - সেক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি সব হ্যান্ডল করা

গুরুত্বপূর্ণ উবুন্টু লিনাক্স কমান্ড

  গুরুত্বপূর্ণ উবুন্টু লিনাক্স কমান্ড সিষ্টেম আপডেট : sudo apt update সিষ্টেম আপগ্রেড : sudo apt upgrade or sudo apt dist-upgrade  সিষ্টেমের অপ্রয়োজনীয় ফাইল ফিক্সট : sudo apt autoremove .deb ফাইল ইন্সটল : sudo dpkg -i file_name.deb উবুন্টু লাইব্রেরি হতে ইন্সটল : sudo apt install <package_name> Example: sudo apt install git ইন্সটল করা সব সফটওয়ারের লিস্ট : sudo dpkg-query -l | less ইন্সটল করা সফটওয়ার রিমোভ : sudo apt --purge remove program_name

মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপিং এর আয়ের উৎস

মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপিং এর আয়ের উৎস: মোবাইল আপ্লিকেশন তৈরি করে অনেক উপায়ে আয়ের ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। বর্তমানে পৃথীবিতে ৩ বিলিয়ন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছেন। দিন দিন এই ব্যবহারকারী আরও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মোবাইল অ্যাপস গুলোর মধ্যে প্রধানত হল: ১) প্রিমিয়াম অ্যাপস, ২) এককালীন পেইড অ্যাপস, ৩) ফ্রি অ্যাপস সাথে আ্যডস সংযুক্ত করা, ৪) ই কমার্স অ্যাপস ৫) গেমস ১) প্রিমিয়াম অ্যাপস: প্রিমিয়াম অ্যাপস হল মাসিক বা বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন ফি ভিত্তিক সিস্টেম। এরকম অ্যাপ এ কিছু ইউনিক কনটেন্ট থাকে। যেমন- মুভি, নাটক, গান ইত্যাদি। এই সেবা গুলো গ্রাহক কিছু সময়ের জন্য ক্রয় করে উপভোগ করেন। আর এরকম অ্যাপস তৈরি করতে প্রথমে মুভি, নাটক, গান প্রোডাকশন করে এমন সংস্থার সাথে চুক্তি ভিত্তিক একটি সিস্টেমের মাধ্যমে যেতে হবে। তারপর আছে ক্লাউড ড্রাইভ সেবা- একটি নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি এর ভিত্তিতে গ্রাহকের ডেটা সিকিউর সার্ভারে জমা রেখে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংরক্ষণ করা। এরকম কিছু অ্যাপ হল - hoichoi , Netflix , Gaana , Dropbox ইত্যাদি। ২) এককালীন পেইড অ্যাপস: এককালীন পেইড অ্যাপস গ্রাহকরা ফি পে করে একেবারে ক্রয়